শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০১:৪৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
কুমিল্লায় ৩৮ দিন পর শিশু’র লাশ উদ্ধার লুটপাট-দুর্নীতি রুখতে মুক্তিযুদ্ধের পুনর্জাগরণের ডাক কুমিল্লার মুরাদনগরে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীর তানোরে আলুর জমিতে আছড়ে পড়ল প্রশিক্ষণ বিমান’ পাইলট আহত অপর প্রশিক্ষণার্থী অক্ষত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে রাজধানীতে গ্রেফতার-৪২ বিজিবির চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে গোদাগাড়ীতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা-হেরোইন উদ্ধার যুবক আটক রংপুরে প্রথম ওমেন্স ড্রিমার ক্রিকেট একাডেমি টুর্নামেন্ট’র খেলা শুরু র‌্যাব-৫ এর অভিযানে বিদেশী পিস্তল’ ওয়ান শুটারগান, গুলি ও ম্যাগজিনসহ ০১ অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেফতার মোহনপুরে পূজা মন্দিরের নিরাপত্তায় কাজ করছে সশস্ত্র আনসার সদস্যরা রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের এএস আই কর্তৃক নবম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ!

নিরাপত্তা চাওয়ায় চাকুরী ছাড়ার হুমকি দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

তমা (ছন্দ নাম) চাকুরী করে একটা বে-সরকারি ব্যাংকে। একজন বিক্রয় প্রতিনিধির নিজের আর কোম্পানীর জন্য কত রকম মানুষের সাথে মিশতে হয় এইটা যারা চাকুরী করে তারাই বুঝে। এরপর নিজেকে ঠিক রেখে কাজ করতে পারাটা স্বার্থকতা। কম্পিটিশন ভালো কিন্তু তা যদি হিংসাত্মক হয়ে দাঁড়ায় তাহলে তা কারো জন্য ভালো ফল বয়ে আনতে পারে না। মেয়েরা মেয়েদের শত্রু আর তার সাথে যদি প্রভাবশালী বস থাকে তাহলে সেই খারাপ করা আরো সহজ হয়ে পরে। তেমনি ঘটেছে যেসব বিষয় ম্যানেজমেন্ট এর চোখের আড়ালেই ঘটে চলছে বছরের পর বছর।

তমাকে তার কাজের জন্য একজনের সাথে পরিচয় হয় তার সাথে কথা বলে এবং লোকটি যখন তাকে বাজে প্রস্তাব দেয়া শুরু করে মেয়েটি রেগে যায় এবং তমা দিনের পর দিন বহিরাগত সেই লোককে বিভিন্নভাবে এভোয়েড করে। একদিন ওই লোকটির স্ত্রী এই তমাকে মেসেজ দেয় আর বিভিন্নভাবে মোবাইলে গালিগালাজ করে। তমা মহিলাকে বার বার বুঝানোর চেষ্টা করে, তাদের পারিবারে ব্যাপারে আমাকে বলে লাভ কি? এক প্রকার হুমকি দেয় তমাকে। তমাকে বাজে ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।

পরে তমাও কিছু কথার উত্তর দেয়। এর জের ধরে ওই লোক আর তার স্ত্রী আর তমার সহকর্মী তাদের প্রভাবশালী বসের হাত ধরে অফিসে বিচার দেয় (লিখিত অভিযোগ)। পরে তমাকে তার অফিসের এইচআর বিভাগ থেকে কল করে ডাকা হয়। সে যাবার পর তাকে বলে চাকুরী থেকে রিজাইন দিতে, পরে তাদের একজন এইচআর অফিসার বলে তুমি কাজ করবে কেন, যদি তুমি সঠিক হও তাহলে কেন রিজাইন দিবা? তমা তখন বুঝতে পারে এর সাথে একজন এইচআর জড়িত সে, ম্যানেজমেন্ট কে জানায়, পরে তমাকে বলা হয় তুমি কাজ করো আর চেষ্টা করো অভিযোগটা উঠানোর। সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে যায়। কারন তমা প্রমাণ দিয়েছিল মহিলার স্বামীর সাথে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং টাকার বিষয়টাও মিথ্যে। ড্রাইভার দিয়েও মিথ্যে অভিযোগ করা হয়। অনেকভাবে চেষ্টা করে একমাত্র আল্লাই জানে।

এরপর তমার প্রভাবশালী বস তাকে ডেকে বলে, মহিলাকে ডেকে অভিযোগ তুলতে, কিন্তু ম্যানেজমেন্ট থেকে ব্যাপারটি আর ইস্যুতে ছিলো না। প্রায় বসকে দিয়ে তমাকে রিমাইন্ডার দেয়। তমা ভয় পায় এর মধ্যে মেয়েটির বাসায় বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়া শুরু করে। পরে মেয়েটি কিছু ডকুমেন্ট সংগ্রহ করে, সেইখানে স্পষ্ট যে তার অফিসের লোকজনও (বহিরাগত মহিলা) এর সাথে জড়িত। একজন মেয়ে তার ক্যারিয়ার মাত্র শুরু করেছে। তার পিছনে অন্য একজন মহিলা কলিগ লেগেছে আর এই মহিলাকে সাপোর্ট দিচ্ছে একজন পাওয়ারফুল বস। বহিরাগত ওই মহিলার কল লিস্টে সব উঠে এসেছে কে কবে থেকে এর সাথে জড়িত।

তমা সবার কাছে প্রমাণ দেয়ার পরও, এইচআর বিভাগেও নিয়ে যায় কিন্তু কেউ সাহায্য করতে চায়নি। পরে তমা নিজের নিরাপত্তার জন্য একটি জিডি করে। থানা থেকে তার কলিগ ( মহিলা কলিগ) কে ফোন করা হয়। সে বলে সে তার বসের নিদর্শন মেনে ওই মহিলাকে অফিসে পাঠিয়েছে। এত কিছুর পর অফিস এ তমার এর মা যায়, এইচআর উল্টা পাল্টা কথা বলে অপমান করে। একজন এইচআর অফিসার, একজন প্রভাবশালী বস আর একটি মহিলা কলিগ মিলে মেয়েটির স্বাভাবিক জীবন নষ্ট করে দিচ্ছে। আর সবাই সত্যি জেনেও চুপ চাপ আছে চাকরির ভয়ে।

ম্যানেজমেন্ট এর সাথে তমার মার কথা বলতে দেয়া হয়নি। জিডির জের ধরে তাকে প্রেসার দেয়া হচ্ছে। কিন্তু কেন জিডি করা হয়েছে তা মেনেজমেন্ট কে জানতেই দেয়া হয়নি। বিভিন্ন মিথ্যে কথা বলে একজন দক্ষ ঊসঢ়ষড়ুবব কে অপমান করা হয়েছে। একটি সাধারণ ছবিকে বাজেভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। যখন অফিসে কেউ নিরাপত্তা পাবেনা সে থানায় যেতেই পারে এতে ভুলের কি আছে? কল রেকর্ড বের করে জানা যায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রভাব শালী বস আর একটি মহিলা সহকর্মী একজন এইচআর অফিসারের সাহায্যে একজন ভালো রিসোর্সকে বের করার পায়তারা করেছে। আর মেনেজমেন্ট শুধু জিডির বিষয় আমলে নিয়েছে কিন্তু এর আগে কি হয়েছে তা ম্যানেজমেন্ট এর কাছে আড়াল করা হয়। জিডি কখনো চাকরি যাবার কারন হতে পারেনা। কল রেকর্ডে স্পষ্ট বাইরের লোক এর সাথে তার কোনো সম্পর্ক ছিলোনা, টাকার ইসু ছিলোনা। তারা পরিকল্পনা করে এই কাজ করেছে। তাহলে মেয়েরা চাকরি করে, নিরাপত্তা কোথায়। মেয়েটির পরিবার কোনো সুবিচার পায়নি অফিসে যাবার পড়ও।

মানেজমেন্ট এর ভয় কিসের জিডি করলে, সে তো কম্পানির নামে জিডি করেনি করেছে বহিরাগত মহিলা আর তাকে জে সহযোগিতা করছে তার নামে। এইখানে অপরাধী কোম্পানির সাহায্য কেন পাবে? আর বারবার বলার পরও যখন মিথ্যে অভিযোগ এর জের ধরে অপমান করা হয় সে শেষ সময়ে জিডি করতেই পারে যখন তার হাতে সব প্রমান আছে কে কে তার বিপক্ষে বা তার কোম্পানির শত্রু। ম্যানেজমেন্ট এর উচিৎ ছিলো সত্যি টা যাচাই করে বের করা। কাউকে শাস্তি দিলেই সমাধান হতে পারেনা। অপরাধীকে অপরাধ করার আরো উৎসাহ দিলো অফিস। সামনে তাদের কেম্পেইন এর কাজ শেষ হবে এই অবদি ১ম ছিলো তমা। এর জের ধরেই এই কিছু ওই মহিলা সহকর্মীর। কারন কেউ কাজ করতে এসেই এত সফল হবে ওই অবন্তি রিতু মেনে নিতে পারেনি। শুনা গেছে এর আগেও সে একইভাবে বিভিন্ন মেয়ের নামে বসদের জড়িয়ে বাজে কথা বলে চাকরি ছাড়তে বাধ্য করেছে। কিন্তু তমা ছেড়ে দেয়ার মেয়ে ছিলোনা সে চ্যালেঞ্জ নিয়ে সব সত্যি সবার সামনে নিয়ে এসেছে, তবুও রেহাই মেলেনি তার। একজন এইচআর অফিসার আর তার বসের সাহায্য নিয়ে সে দিনের পর দিন অন্যায় করেই যাচ্ছে।

সবাইকে নিজেরাই বলে বেড়াচ্ছে মহিলার অভিযোগ এর কারনে তার চাকুরীতে সমসসা হচ্ছে, কেউ তো আর সত্যি জানতে আসছেনা। ক্যারিয়ার এর শুরুতেই এত বড় ধাক্কা তমাকে মানুসিকভাবে প্রচন্ড ভেঙ্গে ফেলছে, এর দায়ভার তো অফিস নিবেনা? সে লজ্জায় কারো সাথে কথাও বলতে পারছেনা। তার কলিগ অবনী সরকার অপরাধ করে খোলামেলা ঘুরে বেরাচ্ছে। সামনে তমার বিয়ে ওইখানেও এর প্রভাব পরেছে। অবন্তি রিতু ফেইক আইডি খুলে তমার হবু বরকেও বিভিন্ন বাজে কথা বলে। সে সব কিছু এইচআর কে বলার পরও তারা ম্যানেজমেন্ট এর সাথে তাকে বসতে দেয়নি ৪ ঘন্টা বসিয়ে রাখে ম্যানেজমেন্ট এর কথা বলে। তাহলে নিরাপত্তা কোথায়?

প্রমোশন এর বেলায় ও ওই প্রভাবশালী বস এমনদের হেল্প করে যারা প্রমোশন পাবার কথা না। একটি নাম করা ব্যাংক, কত ঘটনা আরাল হয়ে যায় এই ধরনের মানুষ এর জন্য। প্রতিবাদ করতে গেলে চাকরি হারাতে হয় ভালো ঊসঢ়ষড়ুবব দের। ক্রাইম করে সবার উপরে উঠে গেলো অপরাধী রা আর জিডি করাতে চাকরি হারাতে হবে? যারা এই ধরনের কর্পোরেট রাজনীতি করে তাদের মেনেজমেন্ট কিছুই বলেনা, এর কারন কি? এই ধরনের লোকদের জন্য কম্পানি ভালো কিছু করতে পারেনা। ম্যানেজমেন্ট-এর ইসু হলো জিডি করা অপরাধ, সে বাইরের মহিলার কাছ থেকে নিরাপত্তার জন্য জিডি করতেই পারে। এইটা অপরাধ কেন হবে? কিন্তু ক্রাইম করা কি অপরাধ নয় এই কোম্পানির কাছে। এত প্রমাণ দেখার পরো এইচ আর কোনো হেল্প করেনি কেন? আইন সবার জন্য সমান।

সাইবার নিউজ একাত্তর/ ১০শে নভেম্বর  ২০১৯ ইং/ আব্দুর রাজ্জাক (রাজু)

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

খন্দকার ভবন তানোর থানার মোড় প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন তানোর, রাজশাহী থেকে প্রকাশিত। মোবাইল: ০১৭১৫-২৯৭৫২৪, ০১৭১৬-৮৪৪৪৬৫, ০১৯২০-৪৪০১১২ E-mail: cbnews71@gmail.com Web: www.cybernews71.com Facebook: www.facebook.com/cbnews71 www.twitter.com/CyberNews71 Youtube: //www.youtube.com/cbnews71

© কপিরাইট : খন্দকার মিডিয়া গ্রুপ

 বাল্যবিবাহ রোধ করুন, মাদক মুক্ত সমাজ গড়ুন।

ব্রেকিং নিউজ :