শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৩:২৫ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম:
কুমিল্লায় ৩৮ দিন পর শিশু’র লাশ উদ্ধার লুটপাট-দুর্নীতি রুখতে মুক্তিযুদ্ধের পুনর্জাগরণের ডাক কুমিল্লার মুরাদনগরে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহীর তানোরে আলুর জমিতে আছড়ে পড়ল প্রশিক্ষণ বিমান’ পাইলট আহত অপর প্রশিক্ষণার্থী অক্ষত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে রাজধানীতে গ্রেফতার-৪২ বিজিবির চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে গোদাগাড়ীতে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা-হেরোইন উদ্ধার যুবক আটক রংপুরে প্রথম ওমেন্স ড্রিমার ক্রিকেট একাডেমি টুর্নামেন্ট’র খেলা শুরু র‌্যাব-৫ এর অভিযানে বিদেশী পিস্তল’ ওয়ান শুটারগান, গুলি ও ম্যাগজিনসহ ০১ অস্ত্র ব্যবসায়ী গ্রেফতার মোহনপুরে পূজা মন্দিরের নিরাপত্তায় কাজ করছে সশস্ত্র আনসার সদস্যরা রংপুর মেট্রোপলিটন ডিবি পুলিশের এএস আই কর্তৃক নবম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ!

রুট পারমিট দিচ্ছে সমিক্ষা ছাড়াই,থামছে না সড়ক দুর্ঘটনা:

রাজধানীর মিরপুর, আগারগাঁও হয়ে গুলিস্তান ও যাত্রাবাড়ী গন্তব্যে চলছে প্রায় ২০টি কোম্পানির এক হাজারের বেশি বাস-মিনিবাস। এসব কোম্পানির নামে আরও কয়েকশ’ বাস ও মিনিবাস নামানোর অনুমতি আছে। অথচ সড়কের ধারণক্ষমতা বা যাত্রী সংখ্যার অনুপাতে কী পরিমাণ বাস বা মিনিবাস দরকার- এ ধরনের কোনো সমীক্ষা নেই। সরকার বা বাস মালিক কারও কাছে নেই এ সংক্রান্ত তথ্য।

এ অবস্থায় সম্প্রতি রুটগুলোতে একাধিক কোম্পানির আরও শতাধিক বাস ও মিনিবাস নামানোর অনুমোদন দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন রিজিওনাল ট্রান্সপোর্ট কমিটি (আরটিসি)। এতে সড়কের ধারণক্ষমতার তুলনায় গাড়ির সংখ্যা বাড়ছে। বাসগুলো যাত্রী ধরতে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতায় নেমে মানুষ মারছে। শুধু মিরপুর নয়, উত্তরা, যাত্রাবাড়ী, মতিঝিল, সাভারসহ কয়েকটি রুটেও প্রায় অভিন্ন চিত্র রয়েছে।

জানা গেছে, সড়কে নৈরাজ্যের অন্যতম কারণ সমীক্ষা ছাড়াই রুট পারমিট দেয়া, যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি, চালকের মাদকাসক্তি ও অদক্ষ চালক, আইনের সঠিক প্রয়োগের অভাব ইত্যাদি। এসব বন্ধে নেই তেমন কার্যকর উদ্যোগ।

ফলে দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। ২০১৮ সালে সারা দেশে ৩ হাজার ৫১৩টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪ হাজার ৭৬ জন মারা গেছেন এবং আহত হয়েছেন ৮ হাজার ৭১৫ জন। চলতি বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত সড়কে ২৫৯ প্রাণ ঝরেছে।

সমীক্ষা ছাড়াই বাসের রুট পারমিট দেয়া সড়ক নৈরাজ্যের অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক্সিডেন্ট রিচার্স ইন্সটিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. শামসুল হক। তিনি বলেন, সমীক্ষা ছাড়া রুট পারমিট দেয়ায় সব উদ্যোগ শুরুতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কোনো নিয়মনীতি ছাড়াই বাসের রুট পারমিট দেয়ার পর যত উদ্যোগ নেয়া হোক না কেন, নৈরাজ্য বন্ধ হবে না।

আমরা সবসময় বলে আসছি, ঢাকাকে কয়েকটি রুটে ভাগ করে বড় উদ্যোক্তাদের রুট পারমিট দিতে হবে। তাহলে ওই সব উদ্যোক্তা তাদের বিনিয়োগ বাঁচাতে সড়কে শৃঙ্খলা রক্ষা করবেন। তারাই চালকদের প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য সুবিধা দেবেন। কোনো যোগ্যতা ছাড়াই রুট পারমিট পাওয়ায় রাস্তায় নেমে প্রতিযোগিতা শুরু হয়, এতে বাড়ছে দুর্ঘটনা।

বিআরটিএর সচিব মো. আবদুস সাত্তার যুগান্তরকে বলেন, সড়কে নৈরাজ্য ঠেকাতে ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেটরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছেন। অন্যান্য জেলায় ডিসি ও ইউএনওরা অপারেশন চালাচ্ছেন।

পাশাপাশি সড়ক নিরাপত্তায় অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করছি। ফিটনেসহীন গাড়ি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিবছর যখন ফিটনেস নিতে আসে তখন আমরা ভালোভাবে পরীক্ষা করি। এরপরও চলাচল করলে মোবাইল কোর্ট ওই গাড়ি ডাম্পিং বা জরিমানা করেন। আর লাইসেন্সবিহীন চালককে পেলে সাজা দেয়া হয়।

বিআরটিএর হিসাব অনুযায়ী, দেশে ৩৮ লাখের বেশি গাড়ি আছে। অপরদিকে লাইসেন্সধারী চালকের সংখ্যা ২৪ লাখের কিছু বেশি। অনেক গাড়ির অস্তিত্ব না থাকার পরও বর্তমানে ১০ লাখের বেশি লাইসেন্সবিহীন চালক রয়েছেন। তাদের অদক্ষ পরিচালনার কারণেও সড়কে দুর্ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভায় এ বিষয়টি উঠে আসে। ওই সভায় ঢাকা সড়ক পরিবহন সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বিষয়টি স্বীকার করে মাদকাসক্তদের হাতে গাড়ি তুলে না দিতে মালিকদের অনুরোধ জানান।

ঢাকা আরসিটির হিসাব অনুযায়ী, রাজধানী ও আশপাশে ৩৬৬টি রুটে গাড়ি চলাচলের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এসব রুটে প্রায় চারশ’ কোম্পানি রয়েছে। কোম্পানিগুলোর আওতায় ১৬ হাজার ৬০৩টি গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেয়া হয়েছে। গাড়ি নেমেছে ৯ হাজার ৪৭টি। এর মধ্যে বাস ৬ হাজার ৩৮২টি ও মিনিবাস ২ হাজার ৬৬৫টি। এসব গাড়ির মালিকের সংখ্যা তিন হাজারের বেশি। একই কোম্পানিতে যেমন অনেকের গাড়ি রয়েছে, তেমনি কয়েকটি গাড়ির মালিক একই ব্যক্তি- সেই চিত্রও রয়েছে।

পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কোনো ধরনের সমীক্ষা ছাড়াই একই রুটে অনেক কোম্পানির বাসের রুট পারমিট দেয়া হচ্ছে। বেশিরভাগ কোম্পানির মালিক প্রভাবশালী হওয়ায় তাদের নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন।

এ ছাড়া একই কোম্পানিতে অনেক মালিকের গাড়ি থাকায় বেশি আয়ের আশায় সড়কে গণপরিবহনের রেষারেষি বাড়ছে। যাত্রী বেশি পাওয়া এবং দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছে আরেকটি ট্রিপের সিরিয়ালের আশায় নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা করছে না চালকরা। তারা রাস্তার মাঝখানে গাড়ি রেখে যাত্রী ওঠানামা করছে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীরও হিমশিম খেতে হয়।

সমীক্ষা ছাড়া গাড়ির রুট পারমিট দেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন আরটিসির সদস্য সচিব বিআরটিএর উপ-পরিচালক মো. শফিকুজ্জামান ভূঁইয়া। তিনি বলেন, কোন রুটে গাড়ি চলবে, কতটির অনুমোদন দেয়া হবে- সেই এখতিয়ার কমিটির। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি বৈঠক করে গাড়ির রুট পারমিট ও সিলিং অনুমোদন দেন। তিনি জানান, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ট্যাক্সি ক্যাব অনুমোদনের ক্ষমতা সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের হাতে। আর কতটি গণপরিবহন চলবে, তা নির্

এই পোস্টটি আপনার সামাজিক মিডিয়াতে ভাগ করুন

খন্দকার ভবন তানোর থানার মোড় প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন তানোর, রাজশাহী থেকে প্রকাশিত। মোবাইল: ০১৭১৫-২৯৭৫২৪, ০১৭১৬-৮৪৪৪৬৫, ০১৯২০-৪৪০১১২ E-mail: cbnews71@gmail.com Web: www.cybernews71.com Facebook: www.facebook.com/cbnews71 www.twitter.com/CyberNews71 Youtube: //www.youtube.com/cbnews71

© কপিরাইট : খন্দকার মিডিয়া গ্রুপ

 বাল্যবিবাহ রোধ করুন, মাদক মুক্ত সমাজ গড়ুন।

ব্রেকিং নিউজ :